Skip to main content

The cherapungee of South India: Agumbe

Agumbe is a tiny  hilly village situated at the Western Ghat in Karnataka, a state of India. It is famous for the highest record of rainfall with a mean average of 7000 to 8000 mm in Southern India, which is accredited as the second highest in India after Cherrapunji that's why this village is called as 'the cherapungee of South India'

Agumbe is flamboyant and surrounded by rich dense biodiversity, various types of rare medicinal plants are available here as well. The cloud and greenery are playing with the hills in front of the blue canvas @ morning around 5:15 o'clock. 

The dense thickness of the rain forest, topography of the area and conducive weather conditions have made Agumbe a hotspot for the longest and one of the most venomous snakes in the world, the King CobraThe renowned herpetologist, Romulus Whitaker called Agumbe as the capital of King Cobra

The Agumbe Rainforest Research Station (ARRS) which is the only permanent rainforest research station in India is based out here.

The building of the ARRS institute. Research and studying purpose throughout the year people from different regions are used to visit this place frequently.

This very close to nature village is situated in the Shimoga district of the Malnad region in Karnataka. The awesome natural scenic beauty, lush valleys and milky white streams have made Agumbe a very desirable and famous vacation getaway for those who love to travel to be one with the peacefulness of nature.

Agumbe is located at one of the highest points in the Western Ghat, thereby offering clear and astonishing views from both sunrise and sunset points.  The above photo is taken during sunrise at 3rd week of March'2019.

It is believed that the sunset here is one of the most spectacular one in Karnataka. Captured the moment of end of a day from Sunset point @Agumbe which is walking distance off 2 km from Agumbe bus stop.

Malgudi Days, the famous television series based on R.K. Narayan's short stories, was entirely shot here by Shankar Nag and shown once upon a time in Doordarshan (the national TV in India), during my childhood days. 
 So, apparently you are getting the 'Ta-na-naa..' music if you had watched that TV series. 

The ‘Doddamane’ (Big House), the 130 years old heritage building is one of the best place for accommodation in Agumbe. Two episodes of Malgudi days were shot here as well. 

The house is currently run by Kasturi Akka, and for me, it was an awesome experience to spend an entire day there at Agumbe with all its traditional rituals and cuisine. 

I have written specifically about Doddamane in My interest tab of my blog.

In this village hardly 500 peoples are living and you can cover the whole village by walk if you have a practice of daily walk. Other than Doddamane there is an only one Hotel called Mallya's just opposite to bus stand.

She is Mahalakshmi from this village, had a small talk with her regarding Agumbe and her family.

There is also a school of Karnataka board in Agumbe and a play ground just opposite to each other, where the children are used to play @afternoon.

I spent some moments with them in the field and they were so surprised when get to know that I can't speak Kannada language. The school is upto the 10th level standard.

 How to reach: I traveled Agumbe from Pune via Udupi which is the nearest city. There is no train station or airport in AgumbeI took an overnight bus to Udupi and stayed one day @udupi, which is 55 km away. Next day around 1 pm I started towards Agumbe

This is bus stand of Agumbe village. From Udupi though, you will get KSRTC/private operated mini buses to go Agumbe. Bus services are running from 7:00 am to 5.30 pm, but please do check and confirm once. Busses from Udupi to Shimogga will drop you at Agumbe. It takes 2.30 hours to reach there from Udupi.

The small huts of this village are so colourful, which attracts me. The photos with brief description are also in My Interest tab. 

You can buy pure honey from local shop or villager (though I haven’t buy). I loved a sweet snack made of banana just bought from a shop at bus stand.


Post a Comment

Popular posts from this blog

কদম ফুল - Kadam phool- common burflower

বর্ষাকালের সিগনেচার বলা হয় কদম ফুলকে , আরেক নাম নীপ , " এসো নীপ বনে ... " কবিতা তো জানাই আছে যাতে বর্ষা মানেই নীপ ( কদম্ব ও বলে অনেক রাজ্যে ) ।   খুব পরিচিত এই ফুল , নিটোল গোলাকার , প্রথমে সবুজ , পরে লাল থেকে টকটকে কমলা রঙের সাথে অসংখ্য লম্বা সাদা ফ্রিলস পুরো ফুল জুড়ে ।   হাতে নিলে বোঝা যায় বেশ একটু ভারী , মানে কাউকে ঢিল ছুড়ে মারার মতো আর ওই সাদা ফ্রিলস গুলো এমনিতে নরম কিন্তু ছুড়লে হুঁহুঁ , লাগবে বেশ। খুব মিষ্টি একটা গন্ধ আছে , গাছের পাস দিয়ে গেলেই টের পাওয়া যায় ফুল ফুটেছে   ( কদম তলায় কে ?) । প্রচুর ফ্র্যাংগনান্স বা আতর তৈরি হয় এই গন্ধের। আমাদের দেশের লিপিগুলোতে কদম ফুলের ও গাছের নাম আছে আর আমাদের পৌরাণিক কথকথায় কদম ফুলের বড়ো মুখ্য একটা জায়গা আছে।   ভারতের উত্তর দিকে , ভগবৎ পুরান থেকে শুরু রাধা ও কৃষ্ণের দুজনের জীবনেই   কদম ফুল বেশ গুরুত্বপূর্ণ।   বৃন্দাবন - মথুরায় , গোবর্দ্ধন পাহাড়ের দিকে   প্রচুর কদম গাছ , এই সময় মানে বর্ষাকালে একবার রাধে - রাধে

রাগের ছবি

১ ) মেঘ মল্লার : মেঘ ( সংস্কৃত বুৎপত্তি ) মল্লার একটি হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় মৌসুমী   রাগ।   কথায় বলে এই রাগ বৃষ্টিকে আমন্ত্রণ করে যেখানে গাওয়া হয় সেখানে। ' মেঘ মল্লার ' রাগ মেঘের অনুরূপ যার মধ্যে মল্লারের আভা রয়েছে। মল্লার পরিবারের অন্যান্ন রাগগুলি হলো : মেঘ , মিয়াঁ কি মল্লার , গৌড় মল্লার , রামদাসী মল্লার , ধুলিয়া মল্লার ইত্যাদি। ঠাট : কাফি। আমাজন প্রাইমের ' বন্দিশ ব্যান্ডিট ' ওয়েব সিরিজের লাস্ট এপিসোডে ফরিদ হাসান আর মোহাম্মদ আমান মেঘ মল্লার গেয়েছে এবং তাতে বৃষ্টি এসেছে। শঙ্কর - এহসান - লয় এই   গানের দ্বায়ীত্বে ছিলেন। একটা আর্টিকলে তাদের কথা পড়লাম যে , যোধপুরে ২০২০ - র এপ্রিল মাসে এই গানটা যেদিন পুরো গাওয়া হয়েছিল সত্যি বৃষ্টি পড়েছিল , যা কোনোদিনও হয় নি নাকি। ২ ) গৌড় মল্লার :   হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের একটি রাগ যা মল্লারের বৈশিষ্ট্য বহন করে আর এই   ' গৌড় ' নামের রাগটি এখন বিলুপ্ত হয়ে গেছে , মানে সে রকম করে কেউ গায় না । মল্লার পরিবারের

My days in the Gunj

এখানে সকাল হয় না, সকাল আসে... কার লেখা, কোন উপন্যাস, অনেকেই জানেন।  গল্পটা এরকম... ডিসেম্বরে হুট্ করে বাইক নিয়ে কোথাও যাওয়া যায় ঠিকই, কিন্তু থাকার জায়গা পেতে চাপ হয়। যেমন এবার হোলো ! ম্যাপ খুঁজে খুঁজে হোমস্টে দেখছি আর ফোন করে যাচ্ছি, ' নাহঃ, ওই সময় ফাঁকা নেই', বেশ কয়েক জায়গা থেকে এক উত্তর পেয়ে ভাবছি কি করবো ! তখনই আমায়রা হোমস্টে-র ওনার রাজ কিশোর গুপ্তা রিং ব্যাক করে 'ম্যাক গার্ডেন-র' হোমস্টে-র কেয়ার টেকার মনজয় দার ফোন নম্বর দিলেন। কল করে জানালাম, পরের দিন যাচ্ছি, একটা ঘরই আমার লাগবে। দু-তিন থাকবো বলাতে বললো, দুদিনই হবে তিন নম্বর দিন অলরেডি বুকড। সাত একর জমির এক কোণে এক কোলোনিয়াল বিল্ডিং, মানে টালির ছাদের কুঁড়েঘর। আম বাগানে ঘেরা, বিরাট এক লন সামনে। গেটের ডানদিকে আলু, সর্ষের খেত। টিয়া, ধূসর রঙের ধনেশ চোখের সামনে নেচে বেড়াচ্ছে। বাড়ির ভেতরে তিনটে পার্টিশন, প্রথম দরজা দিয়ে ঢুকেই বসার জায়গা আর দুই প্রান্তে দুটো ঘর। ওই জায়গা পেরিয়ে পেড়িয়ে আবার আর একটা দরজা ও দুই প্রান্তে ডান দিকে-বাঁদিকে দুটো ঘর। মাঝের বসার জায়গায় একটা ফায়ারপ্লেস। শীতকালে গেলে দিব্বি জ্বালিয়ে রাত কাটানো য